সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে মসুর ডাল আমদানি কমেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কৃষিপণ্যটির আমদানি কমেছে ১ হাজার ৭৬৭ টন। গতকাল ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের বাজারে ভালো চাহিদা না থাকায় মসুর ডাল আমদানি কমেছে।
বন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে মসুর ডাল আমদানি হয়েছে ৬২২ টন। যার আমদানি মূল্য ছিল ১০ কোটি ১১ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ৩৬ কোটি ১১ লাখ টাকা মূল্যের ২ হাজার ৩৮৯ টন মসুর ডাল আমদানি হয়েছিল।
ভোমরা স্থলবন্দরের কৃষিপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স গনি অ্যান্ড সন্সের ব্যবস্থাপক অশোক কুমার বলেন, ‘দেশের বাজারে চাহিদা না থাকায় আমার প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি মসুর ডাল আমদানি কমানো হয়েছে। বাজারে সব ধরনের সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় ডালজাতীয় পণ্যের চাহিদা কমেছে।’
এদিকে আমদানি কমলেও সাতক্ষীরার বাজারে স্থিতিশীল আছে মসুর ডালের দাম। গতকাল সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের কয়েকটি ডাল ও মসলাজাত পণ্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
সুলতানপুর বড় বাজারের মেসার্স ঠাকুর স্টোরে গতকাল আমদানীকৃত চিকন মসুর ডাল কেজিপ্রতি ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এ সময় মোটা ডালের দাম ছিল কেজিতে ১০০ টাকা।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী দুলাল চন্দ্র সাহা বলেন, ‘এক থেকে দেড় মাস আগেও একই দামে ডাল বেচাকেনা হয়েছে। বাজারে শাকসবজির সরবরাহ থাকায় ডালের চাহিদা কিছুটা কমে গেছে।’
সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে জানিয়েছেন, বাজারে সব ধরনের ডালের দাম স্থিতিশীল আছে।